জাতীয়

দিনাজপুরে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

নবাবগঞ্জে কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানসহ কয়েকটি যানবাহনে ডাকাতি; উদ্ধার দুটি ল্যাপটপ ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছয়টি মোবাইল ফোন

M
Md Ashikবুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০২:৫১ AM
১৫ বার পঠিত
দিনাজপুরে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

মনিরুজ্জামান মনির, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সড়কে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুটি ল্যাপটপ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ছয়টি মোবাইল ফোনসহ বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ৪০ মিনিটের মধ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর মৌজায় নবাবগঞ্জ-ভাদুরিয়া সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ১২ থেকে ১৩ জনের একটি ডাকাত দল সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যানসহ তিন থেকে চারটি যানবাহনের চালক, সহকারী ও যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করে। পরে তারা প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মো. আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২ থেকে ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার পর দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন, বিপিএম-সেবার সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর, পিপিএমের নেতৃত্বে একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাজাকালাই এলাকার মো. শাকিল সরকার (২৬) ও মো. রুহুল আমিন (৩৫); রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মো. রাশেদ মিয়া (৩০), মো. রবিউল প্রধান ওরফে রুবেল (৩৫), মো. সাজু মিয়া (৫৩), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান (৪২) ও মো. মিরাজ মিয়া (২৬); এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাসিরাবাদ কলোনির মো. শাহিন মিয়া (৩০)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সাজু মিয়া, আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান এবং মিরাজ মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও দস্যুতার মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যার পর বিভিন্ন সময়ে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে এইচপি ব্র্যান্ডের দুটি ল্যাপটপ এবং ইনফিনিক্স, অপো, ভিভো, অনার ও স্যামসাং ব্র্যান্ডের একটি করে স্মার্টফোন ও ম্যাক্সটেল ব্র্যান্ডের একটি বাটন ফোন। এ ছাড়া গাছ কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি করাত ও একটি কাস্তে উদ্ধার করা হয়েছে।

ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং লুণ্ঠিত অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটি ভালো লেগেছে?

সুপারিশ করুন অথবা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকুন।

মন্তব্য ও আলোচনা (০)

আপনার মূল্যবান মতামত দিন
এই প্রতিবেদনে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আরও পড়ুন