কুষ্টিয়া থেকে আসা দর্শনার্থী তারিকুল বলেন, বিশ্বপরিচিত ষাটগম্বুজ মসজিদে মানুষ দেখতে আসে, কিন্তু কর্মরত স্টাফদের আচরণে সহযোগিতার অভাব রয়েছে এবং তাদের আরও আন্তরিক হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ষাটগম্বুজ বায়তুশ শরফ আদর্শ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আসলাম হোসেন বলেন, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এবং বাগেরহাটের গৌরব এই স্থাপনার পবিত্রতা ও মর্যাদা রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সচেতন মহলের দাবি, মসজিদ এলাকায় সিসিটিভি ও নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানো, স্পষ্ট আচরণবিধি স্থাপন এবং অশালীন ভিডিও ও উচ্চ শব্দের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি, যাতে কয়েক মিনিটের সামাজিক মাধ্যমের বিনোদনের কাছে শতাব্দী প্রাচীন এই বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা কোনোভাবেই হারিয়ে না যায়।
ষাটগম্বুজ মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাস্টডিয়ান মোহাম্মদ যায়েদ বলেন, দর্শনার্থীরা অনেক সময় গোপনে টিকটক, ছবি ও রিলস তৈরি করেন এবং অশালীন কর্মকাণ্ড নজরে এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও সতর্ক নজরদারি করা হবে বলেও জানান তিনি। তবে কর্মরত স্টাফদের দায় আছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।




মন্তব্য ও আলোচনা (০)