জাতীয়

প্রবাসী স্বামী রেখে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের অভিযোগ, অস্বীকার তরুণীর পরিবারের

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের মৈশাদী গ্রামে প্রবাসী স্বামীকে রেখে এক তরুণীর প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছে তরুণীর পরিবার। তাদের দাবি, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

M
Md Ashikবুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬ এ ০৬:৩৯ AM
১৫ বার পঠিত
প্রবাসী স্বামী রেখে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের অভিযোগ, অস্বীকার তরুণীর পরিবারের

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের মৈশাদী গ্রামে প্রবাসী স্বামীকে রেখে এক তরুণীর প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেছে তরুণীর পরিবার। তাদের দাবি, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার গজরা ইউনিয়নের মৈশাদী গ্রামের মো. মজিল প্রধানের মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে ফতেপুর ইউনিয়নের মাইজকান্দি গ্রামের সিঙ্গাপুরপ্রবাসী শরিফুল ইসলামের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামী বিদেশে চলে গেলে মরিয়মের সঙ্গে একই ইউনিয়নের গজরা গ্রামের লিটনের ছেলে লিমনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তারা দুজন একসঙ্গে বাড়ি থেকে চলে যান, যার প্রেক্ষিতে মরিয়মের পরিবারের পক্ষ থেকে মতলব উত্তর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

নিখোঁজ ডায়েরির সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকার সাভার এলাকা থেকে ওই তরুণী ও লিমনকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাধব চন্দ্র।

উদ্ধারের পর লিমন সাংবাদিকদের বলেন, মরিয়মের অন্যত্র বিয়ের আগ থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা দুজনই নিজেদের ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন তিনি, একইসঙ্গে মরিয়মকে নিজের স্ত্রী বলেও উল্লেখ করেন।

তবে মরিয়মের বাবা মো. মজিল প্রধান এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়ে অযথা বিরক্ত করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

প্রতিবেদনটি ভালো লেগেছে?

সুপারিশ করুন অথবা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকুন।

মন্তব্য ও আলোচনা ()

আপনার মূল্যবান মতামত দিন
এই প্রতিবেদনে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আরও পড়ুন