জাতীয়

লক্ষ্মীপুরে মাদকাসক্ত যুবকের আগুনে পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান, নিঃস্ব ১৭ পরিবার

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক মাদকাসক্ত যুবকের লাগানো আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘর ও ৬টি দোকান, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১৭টি পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত সোহেলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

M
Md Ashikরবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ০৫:১৯ AM
১৫ বার পঠিত
লক্ষ্মীপুরে মাদকাসক্ত যুবকের আগুনে পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান, নিঃস্ব ১৭ পরিবার

রোববার ভোর ৫টার দিকে রায়পুর উপজেলার বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন করিম বক্স বেপারী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই বাড়ির রফিক উল্যার ছেলে সোহেল পেট্রোল ঢেলে প্রথম নিজ ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন, পরে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ নিয়ে আশপাশের ঘরবাড়ি ও দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে চরম মাদকাসক্ত এবং মাদকের প্রভাবে তার এমন উন্মত্ত কর্মকাণ্ডের কারণেই এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ‘জাবের ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’-এর মালিক জানান, আগুনে তার দোকানের বিপুল পরিমাণ মূল্যবান মালামাল পুড়ে গেছে এবং দোকানের পেছনের বসতঘরটিও পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে। তিনিও দাবি করেন, পেছনের ঘরে থাকা সোহেলই ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়েছেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে তারা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান, তবে স্থানীয়দের কাছে ফায়ার সার্ভিসের সরাসরি নম্বর না থাকায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়, এরপর রায়পুরের ২টি ও লক্ষ্মীপুর সদরের ১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

ঘটনার পর দুর্ঘটনাস্থলে পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ও দোকানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় এবং স্বজন ও ক্ষতিগ্রস্তদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়; বহু পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার, ওসি নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠু দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

প্রতিবেদনটি ভালো লেগেছে?

সুপারিশ করুন অথবা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকুন।

মন্তব্য ও আলোচনা ()

আপনার মূল্যবান মতামত দিন
এই প্রতিবেদনে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

আরও পড়ুন