সকাল ৭টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যেখানে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টায় প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যাতে পূর্বনির্ধারিত ব্যক্তিরাই নির্ধারিত গাড়িতে অংশ নেবেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পথে চারটি পথসভা হবে—নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্ট্যান্ডে প্রথম পথসভা, এরপর কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জনসভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে, যেখানে জনতার ঢল নামবে বলে আভাস দিয়েছেন ১১ দলীয় নেতারা। কর্মসূচি সফল করতে ১১ দলের কেন্দ্রীয় বাস্তবায়ন কমিটির পাশাপাশি রুটসংশ্লিষ্ট নয়টি শাখা আগেই প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
সূত্র মতে, গত ৬ আগস্ট রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে বিভিন্ন দাবিতে ১১ দলের অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঢাকায় মহাসমাবেশসহ চার বিভাগে লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান। এর অংশ হিসেবে আজকের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পর পর্যায়ক্রমে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ৩১ অক্টোবর খুলনা-কুষ্টিয়া এবং ২১ নভেম্বর ট্রেনযোগে সিলেট মহানগর অভিমুখে লংমার্চ পালিত হবে, সবশেষে ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
১১ দলের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।




মন্তব্য ও আলোচনা (০)